আজাইরা প্যাচাল

March 5, 2008

কম্পিউটার গ্রাফিক্স

Filed under: গ্রাফিক্স — মনি @ 9:14 pm

কম্পিউটার গ্রাফিক্স নিয় বহু মানুষে বহু স্বপ্ন। কিন্ত কে কতটুকু করতে পারে?
কম্পিউটার গ্রাফিক্স সমন্ধে ছোট একটি ধারনা দয়া হল নিচে

কম্পিউটার গ্রাফিক্স সাধারনত দুই প্রকার.

১. বিটম্যাপ
২. ভেক্টর

- বিটম্যাপ
বিটম্যপ গ্রাফিক্স সাধারনত এক বা একাধিক পিক্সেলের সমন্বয়ে গঠিত। এসব পিক্সেল গুলো দেখতে চারকোন বাক্সের মত, প্রতিটি বাক্সেই আলাদা আলাদ রং এবং পজিশন থাকে।
বিটম্যাপ ইমেজ বা গ্রাফিক্সের রেজুলেশন যত বেশি পরিমান থাকবে তত বেশি স্মুত দেখায়। কারন রেজুলেশনই পিক্সেলের পরিবাহক। যদি রেজুলেশন কম থাকে এবং ছবির সাইজ যদি
আমরা বাড়াতে চাই তাহলে বিটম্যাপ ইমেজ তার পিক্সেলের পরিমানে ছবিকে পরিবেশন করবে..যেটা কিনা দেখতে ঘোলাটে বা অমশৃন লাগবে।
কয়েকটি বিটম্যাপ ফরম্যাট (.bmp | .jpg | .png | .gif)

- ভেক্টর
ভেক্টর ইমেজ সাধারনত কার্ভ বা লাইন দ্বারা গঠিত। একাধিক কার্ভের গঠিত অবজেক্টক কে বলে ভেক্টর ইমেজ বা গ্রাফিক্স। সাধারনত জ্যামিতক ক্যারেক্টারিষ্টিক উপর ভিত্তি করে তৈরী করা হয়।
ভেক্টর ইমেজে পিক্সেল ভিত্তি করে নয় বিধায় ইমেজের সাইজ পরিবর্তন করা যায় অনায়াসে, এতে ইমেজের কোন রকম ক্ষতি বা দেখতে অসুন্দর লাগে না।
বেশ কিছু কম্পিউটার ভেক্টর ইমেজ ফরম্যাট রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য.. ( AI | CDR | EPS | DXF )

March 4, 2008

অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী কথায় কথায় ডিকশোনারি।

Filed under: আজাইরা প্যাচাল — মনি @ 7:39 pm

ইদানিং সবাইকেই দেখছি ব্লগে লিখতে.. দেখে আমার কেন জানি হিংসেই হল..
তাই নিজের জন্য আলাদা একটা ব্লগ বানালাম..আসলে বানিয়েছি অনেক আগেই কিন্তু
কোন লেখা লিখিনি.. আজ থেকে চিন্তা করলাম.. জীবনে যা কিছু শিখেছি..শিখছি.. শিখব
সব লিখে ফেলব।
তো শুরু করে ফেল্লাম।

http://mony3d.wordpress.com/

হুমম.. গত তিন বছর ধরে আর্কিটেক্টচারের উপর পড়াশুনা করছি, কিন্তু নিজের কাছে তেমন পছন্দ হয়নি বিষয়টি,
আর যে বিষয়টি আমার নিজেরই ভালো না লাগে, সেটা করে কোন লাভ আছে?
আমার একটা কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে..সেই কাজেই আমার সবচেয়ে বেশি শ্রম এবং সময দিতে হবে!
তো.. এমন একটা কাজ নিশ্চই আমি করব না যেটা আমার ভালো না লাগে!
তো সেপ্টেম্বর থেকে বিষয় পরিবর্তন করছি, গ্রাফিক্স এন্ড পাবলিসিটিতে ভর্তি হলাম।
যেদিন নতুন কলেজে গেলাম একটু কলেজটাকে দেখতে, সেদিন-ই মনের মধ্যে একটা অন্য রকম মজা অনুভব
করতে লাগলাম, মনে হল আমি পারব। যদিও এখনও কিছুই জানি না..
তবুও নিজের মন নিজেকে সায় দিল..আমি মনে হয় পারব।
তো আর কি.. ছোট খাট কিছু কাজ দেখাতে হবে.. এবং মজা করে একটা কথাও বলে দিলাম..
যে আমি নিজেও ওয়েব ডিজাইন করি..তো আর কি… আমার কিছু
প্রজেক্ট দেখতে চাইল ম্যাডাম। ১ সপ্তাহ সময় পেলাম এর মধ্যে। কিছু নেট থেকে বই নামালাম..তারপর দেখালাম..
ফন্ট ডিজাইনের একটা ব্যপার দেখলাম বই-তে.. অটোক্যাড আমার জানাই ছিল..
তো চিন্তা করলাম, বানিয়ে দেখি একটা ফন্ট। নিজের মন মত আকা-বাকা তেরা যা হয় তাই-ই..
অল্প বিদ্যা খুবই ভয়ংকর.. কিন্তু আমি পার পেয়ে গেলাম.. কারন আমি এই উপরের ফন্টগুলোর প্রজেক্ট ম্যাডামকে দেখালাম…
ম্যাডাম তো দেখে খুশি… আমি নিজেও খুশি ।। মনে হয় এডমিশনটা হয়ে যাবে ।।
ফুর্তিতে যাচ্ছে দিনগুলো..

২০০৮ সাল খুবই ব্যাজাইল্লা সাল…. মাঝে মাঝে খুব দুঃখ দেয়..মাঝে মাঝে খুবই আনন্দ দেয়।

June 3, 2007

টেকনিকাল ডিজাইন

Filed under: ক্যাড — মনি @ 7:48 pm

টেকনিকাল ডিজাইন এর প্রধান বৈশিষ্ট হচ্ছে এটা অন্য ডিজাইনের চেয়ে একটু ভিন্নতর। সাধারন ডিজাইনের মধ্যে আর টেকনিকাল ডিজাইনের মধ্যে প্রধান যেই জিনিসটি চোখে পড়বে সেটা হচ্ছে মিস্যুর বা ডিমেনশন সহজ ভাষায় বললে বলা যায় মাপ। টেকনিকাল ডিজাইনের মধ্যে মাপটা থাকে পরিপূর্নভাবে যেটা সাধারন ডিজাইনে প্রয়োজন পড়ে না। আমরা যারা টেকনিকাল ডিজাইনের উপর পড়াশুনা করছি বা টেকনিকাল ডিজাইন করতে আগ্রহী তাদের প্রথমে একটি ব্যপারটি স্মরন করে দিতে চাই, সাধারন ডিজাইনের মত এটা না, তাই এটার ব্যপারে মাপটা যেন সব সময় ঠিক থাকে। আর কোন ডিজাইন কম্পিউটারের কোন প্রোগ্রামের মধ্যে নিতে চাইলে প্রথম নিজে নিজে কাগজে একটা ডিজাইন করে নেয়া অতি গুরুত্বপূর্ন। কেননা প্রথমেই কম্পউটারে নিলে কিছুটা সমস্যার পড়তে পারেন টেকনিকাল ডিজাইনের নিয়মই বলে, আগে নিজের হাতে ডিজাইনের একটা রাফ করে নিয়ে পরে সেটাকে কম্পউটারে নেয়া। তবে আমার মতে এবং আরো বড় বড় জ্ঞানীর চালচলন দেখে আমি মনে করি, যে কোন ডিজাইনেরই প্রথম ভাবে করা ঠিক না… প্রথমত একটা রাফ আগে করে নেয়া সবচেয়ে ভালো ব্যপারপরবর্তীতে কোন সমস্যায় পড়তে হবে না তাহলে।

« Newer Posts

Blog at WordPress.com.