আজাইরা প্যাচাল

March 11, 2008

আর্ট মানেই কি নগ্নতা!!

Filed under: গ্রাফিক্স — মনি @ 9:48 am

nude1.jpg

নগ্নতা মানেই কি আর্ট নাকি আর্ট মানেই নগ্নতা!!
এটা কেন? আমাদের দেশের কথা জানি না.. দেশে আমার পড়াশুনা করার সৌভাগ্যও হয়নি.. কিন্তু
বিদেশে গ্রাফিক্স বা আর্ট নিয়ে পড়াশুনা করলে, একটা সাবজেক্ট থাকে “নুড”..
অশ্লিলতা যেখানে ৯০%, সেখানে আবার নান্দনিকতা কিসের? এবং একেকটি কাজের জন্য আবার একেকজন
বিশেষভাবে পুরষ্কৃতও হচ্ছে.. আর নুডে আসলে আরেকটি কথা উল্লেখ না করলেই না..
নুড ফটোগ্রাফি.. জানা মনে নুডের ইতিহাস আর সাধারন ফটোগ্রাফির জন্ম এই সময়ে..
একেকজন নুড আলোকচিত্ররা বিশেষ ভাবে স্মরনীয়ও হয়ে আছে.. কিন্তু আমার প্রশ্ন এখানেই.. এটা কেন!
মানুষের বিশেষ অঙ্গ প্রকাশে কি এমন নান্দনিকতা আছে!! যেটা কিনা আমি আপনি বুজলেও পাশের জন অন্য রকম মনে করবে।
আর্ট মানেই নুড.. লিওনার্ডো ডা ভিঞ্চি বা পিক্কাশো বা অন্য যে কোন অঙ্কন শিল্পির আপনি অঙ্কন দেখেন..
তাদের অধিকাংশ গ্যালারী জুরেই আছে নুড.. হয় নারী.. বা অন্য কিছু
তাহলে কি বলব.. নারী হচ্ছে পন্য !!

বিশেষ ভাবে লক্ষ্য করলে দেখবেন সারা দুনিয়া জুরেই এই একই সিস্টেমে চলে আসছে.. এবং
দর্শক সুন্দর ভাবে গ্রহন করে আসছে.. নান্দনিকতা কাকে বলে, সাবলীল ভাবে উপস্থাপন..
তাহলে এই উপস্থাপনের বস্তু কেন হবে মানুষের শরীর!

March 5, 2008

কম্পিউটার গ্রাফিক্স

Filed under: গ্রাফিক্স — মনি @ 9:14 pm

কম্পিউটার গ্রাফিক্স নিয় বহু মানুষে বহু স্বপ্ন। কিন্ত কে কতটুকু করতে পারে?
কম্পিউটার গ্রাফিক্স সমন্ধে ছোট একটি ধারনা দয়া হল নিচে

কম্পিউটার গ্রাফিক্স সাধারনত দুই প্রকার.

১. বিটম্যাপ
২. ভেক্টর

- বিটম্যাপ
বিটম্যপ গ্রাফিক্স সাধারনত এক বা একাধিক পিক্সেলের সমন্বয়ে গঠিত। এসব পিক্সেল গুলো দেখতে চারকোন বাক্সের মত, প্রতিটি বাক্সেই আলাদা আলাদ রং এবং পজিশন থাকে।
বিটম্যাপ ইমেজ বা গ্রাফিক্সের রেজুলেশন যত বেশি পরিমান থাকবে তত বেশি স্মুত দেখায়। কারন রেজুলেশনই পিক্সেলের পরিবাহক। যদি রেজুলেশন কম থাকে এবং ছবির সাইজ যদি
আমরা বাড়াতে চাই তাহলে বিটম্যাপ ইমেজ তার পিক্সেলের পরিমানে ছবিকে পরিবেশন করবে..যেটা কিনা দেখতে ঘোলাটে বা অমশৃন লাগবে।
কয়েকটি বিটম্যাপ ফরম্যাট (.bmp | .jpg | .png | .gif)

- ভেক্টর
ভেক্টর ইমেজ সাধারনত কার্ভ বা লাইন দ্বারা গঠিত। একাধিক কার্ভের গঠিত অবজেক্টক কে বলে ভেক্টর ইমেজ বা গ্রাফিক্স। সাধারনত জ্যামিতক ক্যারেক্টারিষ্টিক উপর ভিত্তি করে তৈরী করা হয়।
ভেক্টর ইমেজে পিক্সেল ভিত্তি করে নয় বিধায় ইমেজের সাইজ পরিবর্তন করা যায় অনায়াসে, এতে ইমেজের কোন রকম ক্ষতি বা দেখতে অসুন্দর লাগে না।
বেশ কিছু কম্পিউটার ভেক্টর ইমেজ ফরম্যাট রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য.. ( AI | CDR | EPS | DXF )

March 4, 2008

অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী কথায় কথায় ডিকশোনারি।

Filed under: আজাইরা প্যাচাল — মনি @ 7:39 pm

ইদানিং সবাইকেই দেখছি ব্লগে লিখতে.. দেখে আমার কেন জানি হিংসেই হল..
তাই নিজের জন্য আলাদা একটা ব্লগ বানালাম..আসলে বানিয়েছি অনেক আগেই কিন্তু
কোন লেখা লিখিনি.. আজ থেকে চিন্তা করলাম.. জীবনে যা কিছু শিখেছি..শিখছি.. শিখব
সব লিখে ফেলব।
তো শুরু করে ফেল্লাম।

http://mony3d.wordpress.com/

হুমম.. গত তিন বছর ধরে আর্কিটেক্টচারের উপর পড়াশুনা করছি, কিন্তু নিজের কাছে তেমন পছন্দ হয়নি বিষয়টি,
আর যে বিষয়টি আমার নিজেরই ভালো না লাগে, সেটা করে কোন লাভ আছে?
আমার একটা কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে..সেই কাজেই আমার সবচেয়ে বেশি শ্রম এবং সময দিতে হবে!
তো.. এমন একটা কাজ নিশ্চই আমি করব না যেটা আমার ভালো না লাগে!
তো সেপ্টেম্বর থেকে বিষয় পরিবর্তন করছি, গ্রাফিক্স এন্ড পাবলিসিটিতে ভর্তি হলাম।
যেদিন নতুন কলেজে গেলাম একটু কলেজটাকে দেখতে, সেদিন-ই মনের মধ্যে একটা অন্য রকম মজা অনুভব
করতে লাগলাম, মনে হল আমি পারব। যদিও এখনও কিছুই জানি না..
তবুও নিজের মন নিজেকে সায় দিল..আমি মনে হয় পারব।
তো আর কি.. ছোট খাট কিছু কাজ দেখাতে হবে.. এবং মজা করে একটা কথাও বলে দিলাম..
যে আমি নিজেও ওয়েব ডিজাইন করি..তো আর কি… আমার কিছু
প্রজেক্ট দেখতে চাইল ম্যাডাম। ১ সপ্তাহ সময় পেলাম এর মধ্যে। কিছু নেট থেকে বই নামালাম..তারপর দেখালাম..
ফন্ট ডিজাইনের একটা ব্যপার দেখলাম বই-তে.. অটোক্যাড আমার জানাই ছিল..
তো চিন্তা করলাম, বানিয়ে দেখি একটা ফন্ট। নিজের মন মত আকা-বাকা তেরা যা হয় তাই-ই..
অল্প বিদ্যা খুবই ভয়ংকর.. কিন্তু আমি পার পেয়ে গেলাম.. কারন আমি এই উপরের ফন্টগুলোর প্রজেক্ট ম্যাডামকে দেখালাম…
ম্যাডাম তো দেখে খুশি… আমি নিজেও খুশি ।। মনে হয় এডমিশনটা হয়ে যাবে ।।
ফুর্তিতে যাচ্ছে দিনগুলো..

২০০৮ সাল খুবই ব্যাজাইল্লা সাল…. মাঝে মাঝে খুব দুঃখ দেয়..মাঝে মাঝে খুবই আনন্দ দেয়।

Blog at WordPress.com.